তথ্যপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাসর্বশেষ

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে

 

কম্পিউটারে গেম খেলার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণরা অর্থ আয়ের জন্য কম্পিউটারে গেম খেলে।আবার অনেকের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে নানা কন্টেন্ট, ভিডিও রিলস। এসবের জন্য কম্পিউটারের জন্য দরকার উন্নত গ্রাফিক্স কার্ড।

 

মূলত, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও গেমারদের জন্য ভালো মানের গ্রাফিক্স কার্ড দরকার। এটি কিনতে গিয়ে অনেকে ভুল করেন। তাই গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে তা জেনে নিন ..

গ্রাফিক্স কার্ড কি?

 

আমরা মনিটর এ যা দেখি সেগুলো তৈরি হয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিন্দু দিয়ে যেগুলোকে বলা হয় Pixels। সাধারন রেজুলেশন-এ সব মনিটর এই এক মিলিয়ন এরও অধিক pixels দেখায়। কোন স্থির অথবা চলমান দৃশ্য দেখানোর জন্য ডিসপ্লে এই প্রতিটি Pixel কে কিভাবে সাজাবে সে বিষয়ে কম্পিউটারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই কাজটি করার জন্য কম্পিউটারের একটি ট্রান্সলেটরের প্রয়োজন হয় যার কাজ থাকে CPU থেকে সংগৃহীত Binary Data কে একটি ছবিতে রুপান্তর করা। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই করে থাকে গ্রাফিক্স কার্ড। একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয়টি সহজ করা যাক। ধরা যাক, আমাদের কম্পিউটার একটি প্রতিষ্ঠান যার নিজস্ব একটি Art Department রয়েছে। যখন কোন ক্রেতার একটি নির্দিষ্ট ছবির প্রয়োজন হয় তখন সে Art Department-এর নিকট একটি Order place করে। Art Department সেটি কাগজে টুকে নেয়। সব শেষে End Result হিসেবে সেই ক্রেতার Idea একটি দৃশ্যমান ছবিতে রূপ দেয় সেই প্রতিষ্ঠানটির Art Department। এই Art Department-ই হল আমাদের কম্পিউটারের গ্রাফিক্স মেমরি।

কুলিং সিস্টেম

গ্রাফিক্স কার্ডের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কুলিং সিস্টেম। অধিক ক্ষমতার কার্ড বেশি শক্তি ব্যয় করে তাই দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই এটিকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য উন্নতি কুলিং সিস্টেম দরকার। তা না হলে গ্রাফিক্স কার্ড পুড়ে যায়।

বাজারে সাধারণত রেফারেন্স ও আফটার মার্কেট এ দুই ধরনের কুলিং সিস্টেম পাওয়া যায়। একটু বেশি খরচ করলে উচ্চ ক্ষমতার কুলারযুক্ত গ্রাফিক্স কার্ড কেনা যাবে। তাই গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে সব সময় কুলিং সিস্টেম বিবেচনায় রাখতে হবে।

মডেল নম্বর

গ্রাফিক্স কার্ডের মডেল নম্বরের ফরম্যাট হচ্ছে ব্র্যান্ডের নামের পর মডেল নম্বর লেখা থাকে। উন্নত গেমিং পারফরমেন্সের জন্য বাজেটের মধ্যে যতটা সম্ভব নতুন মডেল বেছে নেওয়া ভালো।

পুরোনো কম্পিউটারের ক্ষেত্রে

পুরোনো প্রসেসর যেমন- সেলেরন, পেন্টিয়াম বা অ্যাথলন এক্স-২ বা ডুয়েল কোরের জন্য অধিক ক্ষমতার গ্রাফিক্স কার্ড কেনা উচিত নয়। এক্ষেত্রে মাঝারি মানের গ্রাফিক্স কার্ড কেনা শ্রেয়।

কেসিং

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে কেসিংয়ে মধ্যে তা সেট করার জায়গা আছে কিনা না দেখে নিতে হবে। কেননা কম্পিউটারের কেসিং ছোট হলে গ্রাফিক্স কার্ডটি লাগনো যাবে না।

ডিসপ্লে

গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য প্রসেসরের সঙ্গে ডিসপ্লে নিয়েও ভাবতে হবে। পুরনো মডেলের ১২৮০x১০২৪ মনিটরের জন্য দামি গ্রাফিক্স কার্ড কিনে লাভ নেই। অন্যদিকে, কেউ যদি তিনটি ১৯২০x১০৮০ মনিটর ব্যবহার করে থাকেন, তবে তার উচিত উন্নত মানের গ্রাফিক্স কার্ড বেছে নেওয়া।

কম্পিউটারে গেম খেলার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণরা অর্থ আয়ের জন্য কম্পিউটারে গেম খেলে।

আবার অনেকের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে নানা কন্টেন্ট, ভিডিও রিলস। এসবের জন্য কম্পিউটারের জন্য দরকার উন্নত গ্রাফিক্স কার্ড।

 

মূলত, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও গেমারদের জন্য ভালো মানের গ্রাফিক্স কার্ড দরকার। এটি কিনতে গিয়ে অনেকে ভুল করেন। তাই গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে তা জেনে নিন ..

 

কুলিং সিস্টেম

গ্রাফিক্স কার্ডের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কুলিং সিস্টেম। অধিক ক্ষমতার কার্ড বেশি শক্তি ব্যয় করে তাই দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই এটিকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য উন্নতি কুলিং সিস্টেম দরকার। তা না হলে গ্রাফিক্স কার্ড পুড়ে যায়।

বাজারে সাধারণত রেফারেন্স ও আফটার মার্কেট এ দুই ধরনের কুলিং সিস্টেম পাওয়া যায়। একটু বেশি খরচ করলে উচ্চ ক্ষমতার কুলারযুক্ত গ্রাফিক্স কার্ড কেনা যাবে। তাই গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে সব সময় কুলিং সিস্টেম বিবেচনায় রাখতে হবে।

 

মডেল নম্বর

গ্রাফিক্স কার্ডের মডেল নম্বরের ফরম্যাট হচ্ছে ব্র্যান্ডের নামের পর মডেল নম্বর লেখা থাকে। উন্নত গেমিং পারফরমেন্সের জন্য বাজেটের মধ্যে যতটা সম্ভব নতুন মডেল বেছে নেওয়া ভালো।

 

পুরোনো কম্পিউটারের ক্ষেত্রে

পুরোনো প্রসেসর যেমন- সেলেরন, পেন্টিয়াম বা অ্যাথলন এক্স-২ বা ডুয়েল কোরের জন্য অধিক ক্ষমতার গ্রাফিক্স কার্ড কেনা উচিত নয়। এক্ষেত্রে মাঝারি মানের গ্রাফিক্স কার্ড কেনা শ্রেয়।

 

কেসিং

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে কেসিংয়ে মধ্যে তা সেট করার জায়গা আছে কিনা না দেখে নিতে হবে। কেননা কম্পিউটারের কেসিং ছোট হলে গ্রাফিক্স কার্ডটি লাগনো যাবে না।

 

ডিসপ্লে

গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য প্রসেসরের সঙ্গে ডিসপ্লে নিয়েও ভাবতে হবে। পুরনো মডেলের ১২৮০x১০২৪ মনিটরের জন্য দামি গ্রাফিক্স কার্ড কিনে লাভ নেই। অন্যদিকে, কেউ যদি তিনটি ১৯২০x১০৮০ মনিটর ব্যবহার করে থাকেন, তবে তার উচিত উন্নত মানের গ্রাফিক্স কার্ড বেছে নেওয়া।

গ্রাফিক্স কার্ড কেন প্রয়োজন?

 

গ্রাফিক্স কার্ড এখন আর শুধুমাত্র গেম খেলা এবং ভিডিও প্লেব্যাক এর জন্য ব্যাবহৃত হয়না। অনেক কাজ রয়েছে গ্রাফিক্স কার্ড এর। যেমনঃ
১ – প্রোগ্রামাররা আবিষ্কার করেছে যে সাধারন গানিতিক হিসাব নিকাশ দ্রুততর করতে গ্রাফিক্স কার্ড সাহায্য করে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেমনঃFacial Recognition এবং Language Processing এর কাজ করে গ্রাফিক্স কার্ড।
২ – Cryptocurrency mining এর কাজেও গ্রাফিক্স কার্ড সাহায্য করে।
৩ – ভাল মানের গ্রাফিক্স কার্ড ছাড়া ভিডিও এডিটিং সম্ভব না।
৪ – Photoshop এবং Illustrator এর কাজ সহজতর করে গ্রাফিক্স কার্ড।
এখন সবার মনে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে আমার PC তে তো গ্রাফিক্স কার্ড নেই। আমি কি Photoshop এবং Illustrator এর কাজ করতে পারবোনা?  You tube – এ 4K ভিডিও দেখতে পারবনা? অবশ্যই পারব। কারণ, আমাদের সবার PC তে Intel অথবা AMD এর গ্রাফিক্স কার্ড (কম শক্তিশালী) ইন্টিগ্রেটেড থাকে। এই গ্রাফিক্স কার্ডগুলো এধরনের lightweight কাজ অনায়াসে করতে পারে। তবে গেমার এবং প্রডাক্টিভ কাজ যারা বেশি করেন তাদের জন্য এক্সটারনাল গ্রাফিক্স কার্ড(NVIDIA,AMD) আছে এমন PC কেনার পরামর্শ থাকল।কম্পিউটারে গেম খেলার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণরা অর্থ আয়ের জন্য কম্পিউটারে গেম খেলে।

Related posts

‘সেরা বাঙালি’র পুরস্কার পেলেন চঞ্চল চৌধুরী

Megh Bristy

ব্রোকলি চাষ করে লাভবান কৃষক

Megh Bristy

ড্রোন হামলায় নিহত হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-অরৌরি

Suborna Islam

Leave a Comment