ইসলাম ধর্মসর্বশেষ

আল্লাহ তার সাহায্য প্রার্থনা করতে বলেছেন ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে

pickynews24

বিপদ-আপদে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা, দোয়া করা একজন মুমিনের কর্তব্য ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। যেহেতু আল্লাহই মুমিনের চূড়ান্ত ভরসাস্থল। কোরআনে আল্লাহ তার সাহায্য প্রার্থনা করতে বলেছেন ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে। আল্লাহ বলেন,

وَ اسۡتَعِیۡنُوۡا بِالصَّبۡرِ وَ الصَّلٰوۃِ وَ اِنَّهَا لَکَبِیۡرَۃٌ اِلَّا عَلَی الۡخٰشِعِیۡنَ
আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন। (সুরা বাকারা: ৪৫)

নবিজিরও (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অভ্যাস ছিল যে কোনো বিপদের সময় নামাজে দাঁড়ানো। হোজাইফা (রা.) বলেন, নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোনো কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হলে নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন। (সুনানে আবু দাউদ: ১৩১৯)

কিন্তু শুধু দুঃসময়ে বা বিপদে পড়লেই আল্লাহর সাহায্য চাওয়া, আল্লাহকে স্মরণ করা, সুসময়ে আল্লাহকে ভুলে থাকা, দোয়া না করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে দুঃসময়ে আল্লাহর সাহায্য পেতে সুসময়ে বেশি বেশি দোয়া করার নির্দেশনা দিয়ে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রাসুল (সা.) বলেন,

مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَسْتَجِيبَ اللَّهُ لَهُ عِنْدَ الشَّدَائِدِ فَلْيُكْثِرِ الدُّعَاءَ فِي الرَّخَاءِ
যে ব্যক্তি চায় বিপদ আপদে আল্লাহ তার দোয়া কবুল করুন, সে যেন তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়েও আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করে। (সুনানে তিরমিজি: ৩৩৮২)

কোরআনে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতাআলা তার নেক বান্দা ও নবি জাকারিয়া (আ.) ও তার স্ত্রীর প্রশংসা করে বলেছেন, তারা সুসময়ে-দুঃসময়ে, আশা ও ভয় সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ডাকতেন। আল্লাহ বলেন,

فَاسۡتَجَبۡنَا لَهٗ ۫ وَ وَهَبۡنَا لَهٗ یَحۡیٰی وَ اَصۡلَحۡنَا لَهٗ زَوۡجَهٗ اِنَّهُمۡ کَانُوۡا یُسٰرِعُوۡنَ فِی الۡخَیۡرٰتِ وَ یَدۡعُوۡنَنَا رَغَبًا وَّ رَهَبًا وَ کَانُوۡا لَنَا خٰشِعِیۡنَ
আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম আর তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া, আমি তার নিমিত্তে তার স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব দূর করে দিয়েছিলাম। তারা সৎ কাজে ছিল ক্ষিপ্রগতি, তারা আমাকে ডাকতো আশা নিয়ে ও ভীত হয়ে, আর তারা ছিল আমার প্রতি বিনয়ী। (সুরা আম্বিয়া: ৯০)

তাই আল্লাহ যখন ‍সুখ-সাচ্ছন্দে রাখেন, বিপদ থেকে মুক্ত রাখেন, তখনও বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করা, তার কাছে দোয়া করা উচিত, শুকরিয়া আদায় করা উচিত, তাহলে আল্লাহ নেয়ামত আরও বাড়িয়ে দেবেন।

 

Related posts

যারা নতুন কনে তাদের জন্যই রইলো কিছু সহজ টিপস

Asma Akter

তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল

Asma Akter

কনসার্টে প্রেমিকাকে দীর্ঘ চুম্বন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের

Megh Bristy

Leave a Comment